ব্রেকিং নিউজ
৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’: দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি, ৬৪ জেলায় শ্রদ্ধাঞ্জলি ও উদ্বোধন হচ্ছে স্মৃতি জাদুঘর ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানাসহ ৬ নেতা পুলিশ হেফাজতে দাকোপে খালে অবৈধ জাল বাঁধ, নেট পাটা অপসারণে কঠোর প্রশাসন সাঁথীয়ার কাশিনাথপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে মোঃ সোহেব রায়হানকে দেখতে চান এলাকাবাসী ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে এনডিইএর কেন্দ্রীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকার আন্দোলনে গতি আনতে নারায়ণগঞ্জে এনডিইএ জেলা কমিটি অনুমোদন
×

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৫/৮/২০২৬, ১:৪৮:৩২ AM

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’: দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি, ৬৪ জেলায় শ্রদ্ধাঞ্জলি ও উদ্বোধন হচ্ছে স্মৃতি জাদুঘর

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে এ কর্মসূচির বিস্তারিত জানানো হয়।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী প্রদান করবেন। একই দিন দেশের ৬৪ জেলার জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে এ কর্মসূচির বিস্তারিত জানানো হয়।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী প্রদান করবেন। একই দিন দেশের ৬৪ জেলার জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।এছাড়া সংবাদপত্রে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য, সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।



তথ্য বিবরণী অনুযায়ী, ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করবেন। পরে সকাল ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

দেশের প্রতিটি জেলায় জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে অনুরূপ সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে, ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনের মিনিপোলে জুলাই আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টেলিভিশন, এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করা হবে।সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার পাশাপাশি রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোও দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

দেশব্যাপী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।এছাড়া ঢাকাসহ দেশের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন পতাকায় সজ্জিত করা হবে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে থাকবে বিশেষ আলোকসজ্জা।দিবসটি উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পাশাপাশি দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনকেন্দ্রগুলো শিশুদের জন্য বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ থাকবে।এছাড়া সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে দিবসটি উপলক্ষে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।